আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রীকৃষ্ণের জীবনী থেকে শিক্ষাগ্রহন করতে বলেছেন !
আজকে শুভ জন্মাষ্টমী, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন। এ দিন উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই বাণীতে তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ও শিক্ষার অভূতপূর্ব প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- “শ্রীকৃষ্ণ আজীবন শান্তি, মানব প্রেম ও ন্যায়ের পতাকা সমুন্নত রেখেছেন। তিনি তাঁর জীবনাচরণ এবং কর্মের মধ্য দিয়ে সত্য ও সুন্দরের আরাধনা করেছেন।” (http://bit.ly/2vUAiFb)
আজকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এত সুন্দর বাণী শ্রবণ করে আমারও ইচ্ছা জেগেছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ অনুসরণ করতে। তবে সেই আদর্শ অনুসরণের জন্য আগে জানা প্রয়োজন তার জীবনী, আমি এখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনী সম্পর্কে আলোচনা করবো। আশা করা যায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আপনারাও তার জীবনাদর্শ অনুসরণের চেষ্টা করবেন।
আমি পাঠ করবো- অমল পুরাণ থেকে। অধ্যায়ের নাম - “কৃষ্ণের কুমারী গোপীদের বস্ত্রহরণ”
বিস্তারিত :
একদিন তারা (গোপীরা) নদীর তীরে এসে, পূর্বের মতই তাদের বসন (কাপড়) একপাশে রেখে দিয়ে, কৃষ্ণের মহিমা গান করতে করতে আনন্দে জলক্রীড়া করতে লাগলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার অল্পবয়স্ক সঙ্গীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে সেখানে আগমন করলেন। কুমারীদের বসনসমূহ নিয়ে তিনি তাড়াতাড়ি একটি কদম্ব বৃক্ষের মাথায় আরোহণ করলেন। তারপর তিনি উচ্চস্বরে হাসতে লাগলেন, তার সঙ্গীগনও উচ্চস্বরে হাসতে লাগলেন। তখন তিনি কুমারীদের উদ্দেশ্যে বললেন- “হে কুমারীগণ ! তোমরা প্রত্যেকে এখানে এসে ইচ্ছা অনুসারে তোমাদের বসন ফিরিয়ে নিয়ে যাও।”
গোপীরা বললো- “হে কৃষ্ণ, অন্যায় করো না। .....অনুগ্রহ করে আমাদের বস্ত্রগুলি ফিরিয়ে দাও। এই শীতল জলে আমরা কম্পিত হচ্ছি। হে শ্যামসুন্দর, আমরা তোমার দাসী এবং তুমি যা বলবে তা অবশ্যই করবো। তুমি আমাদের বস্ত্রগুলি ফিরিয়ে দাও।”
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন-
“তোমরা কুমারীগণ যদি প্রকৃতই আমার দাসী হয়ে থাক এবং আমি যা বলবো তা যদি তোমরা সত্যিই কর, তাহলে তোমদের সরল হাসি নিয়ে এখানে এস আর প্রত্যেক কুমারী তার নিজের বস্ত্র নিয়ে যাও। আমি যা বলছি, তা যদি তোমরা না কর, তা হলে তোমাদের আমি তা ফেরত দেব না।”
তারপর ক্লেশদায়ক শীতে কাঁপতে কাঁপতে কুমারীগণ তাদের হাত দিয়ে তাদের গোপন অঙ্গ আচ্ছাদিত করে জল থেকে উঠে এলেন। এরপর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ লজ্জাহত গোপীদের দর্শণ করলেন। তারপর তাদের বস্ত্রসমূহ নিজ স্কন্ধে (কাধে) স্থাপন করে মৃদু হেসে বললেন- এভাবে নয়, মাথার উপর হাত তুলে প্রণাম নিবেদন করা উচিত। তারপর তোমরা তোমাদের অধোবসন ফিরিয়ে নাও।”
এরপর গোপীগণ ভগবানের কথা অনুসারে কাজ করলেন এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাদের আচরণে সন্তুষ্ট হয়ে গোপীদের বস্ত্র ফিরিয়ে দিলেন।
(অমল পুরাণ, দ্বাবিংশতি অধ্যায়, দশম স্কন্ধ, পৃষ্ঠা- ৬৪৩ থেকে ৬৫৪ পৃষ্ঠা)
বিস্তারিত :
একদিন তারা (গোপীরা) নদীর তীরে এসে, পূর্বের মতই তাদের বসন (কাপড়) একপাশে রেখে দিয়ে, কৃষ্ণের মহিমা গান করতে করতে আনন্দে জলক্রীড়া করতে লাগলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তার অল্পবয়স্ক সঙ্গীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে সেখানে আগমন করলেন। কুমারীদের বসনসমূহ নিয়ে তিনি তাড়াতাড়ি একটি কদম্ব বৃক্ষের মাথায় আরোহণ করলেন। তারপর তিনি উচ্চস্বরে হাসতে লাগলেন, তার সঙ্গীগনও উচ্চস্বরে হাসতে লাগলেন। তখন তিনি কুমারীদের উদ্দেশ্যে বললেন- “হে কুমারীগণ ! তোমরা প্রত্যেকে এখানে এসে ইচ্ছা অনুসারে তোমাদের বসন ফিরিয়ে নিয়ে যাও।”
গোপীরা বললো- “হে কৃষ্ণ, অন্যায় করো না। .....অনুগ্রহ করে আমাদের বস্ত্রগুলি ফিরিয়ে দাও। এই শীতল জলে আমরা কম্পিত হচ্ছি। হে শ্যামসুন্দর, আমরা তোমার দাসী এবং তুমি যা বলবে তা অবশ্যই করবো। তুমি আমাদের বস্ত্রগুলি ফিরিয়ে দাও।”
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন-
“তোমরা কুমারীগণ যদি প্রকৃতই আমার দাসী হয়ে থাক এবং আমি যা বলবো তা যদি তোমরা সত্যিই কর, তাহলে তোমদের সরল হাসি নিয়ে এখানে এস আর প্রত্যেক কুমারী তার নিজের বস্ত্র নিয়ে যাও। আমি যা বলছি, তা যদি তোমরা না কর, তা হলে তোমাদের আমি তা ফেরত দেব না।”
তারপর ক্লেশদায়ক শীতে কাঁপতে কাঁপতে কুমারীগণ তাদের হাত দিয়ে তাদের গোপন অঙ্গ আচ্ছাদিত করে জল থেকে উঠে এলেন। এরপর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ লজ্জাহত গোপীদের দর্শণ করলেন। তারপর তাদের বস্ত্রসমূহ নিজ স্কন্ধে (কাধে) স্থাপন করে মৃদু হেসে বললেন- এভাবে নয়, মাথার উপর হাত তুলে প্রণাম নিবেদন করা উচিত। তারপর তোমরা তোমাদের অধোবসন ফিরিয়ে নাও।”
এরপর গোপীগণ ভগবানের কথা অনুসারে কাজ করলেন এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাদের আচরণে সন্তুষ্ট হয়ে গোপীদের বস্ত্র ফিরিয়ে দিলেন।
(অমল পুরাণ, দ্বাবিংশতি অধ্যায়, দশম স্কন্ধ, পৃষ্ঠা- ৬৪৩ থেকে ৬৫৪ পৃষ্ঠা)
খুব সুন্দর জীবনী। প্রত্যেকের উচিত এই জীবনী আলোচনা করে তার শিক্ষা নেওয়া এবং বাস্তব জীবনে তার প্রয়োগ ঘটানো। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। বাংলাদেশের জনসংখ্যার ২ থেকে ৩% হিন্দুর জন্য ৯৫% মুসলমানকে আজকে এই জন্মাষ্টমী দিবস উপলক্ষে ছুটি দেয়া হয়েছে। কেন দেয়া হয়েছে ? অবশ্যই উদ্দেশ্য- মুসলমানরা যেন জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ছুটি ভোগ করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনী থেকে শিক্ষা নেয় এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ ঘটায়। তাদের শিক্ষাগ্রহণকে সহজ করার জন্যই আমার এ পোস্ট।
মুসলমানদের আহবান জানাবো- বেশি করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই জীবনী পাঠ করুন এবং শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।
---------------------------------------------------
--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon Chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
--আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6 (https://www.facebook.com/202647270140320/




No comments