মুসলমানদের ভাঙ্গবেন যেভাবে ?
মুসলমানদের ভাঙ্গার কিছু পদ্ধতি আছে। প্রথমে দেখুন- মুসলমানদের মধ্যে ফিল্ড পর্যাযে ছোটখাট বিরোধ আছে কোথায় ? এরপর সেই ফাক দিয়ে ঢুকে মুসলমানদের ক্ষতি করুন, দেখবেন এক গ্রুপ অন্য গ্রুপের দোষ দেবে। ফলে আপনার সাপও মরবে কিন্তু লাঠিও ভাঙ্গবে না। মানে আপনি সহজেই মুসলমানদের ক্ষতি করতে পারবেন, কিন্তু আপনার কোন দোষ হবে না। উল্টো মুসলমানরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করে মরবে।
গত কিছুদিন আগে সৌদিতে কারা যেন বোমা ফাটাতে গিয়েছিলো। দেশটির কর্তৃপক্ষ তাদের ধরে ফেলে। দাবি করা হয়- তারা নাকি মুসলমানদের কাবা ঘরে বোমা ফাটাতে গিয়েছিলো।। খোজ নিয়ে জানলাম, মুসলমানদের মধ্যে নাকি জুম্মার নাম দিয়ে একটি ফতওয়া আছে। কোথায় জুম্মার নামাজ পড়া যাবে, আর কোথায় যাবে না। একটি গ্রুপের দাবি- “যেখানে ইসলাম প্রতিষ্ঠা নাই সেখানে জুম্মার নামাজ পরা যাবে না।” এই ফতওয়া বিরোধকে কাজে লাগিয়ে কাবা ঘরে বোমা হামলা করতে গিয়েছিলো একটি বিশেষ গোষ্ঠী। আমি নিশ্চিত কোন- মুসলমান সেখানে বোমা হামলা করতে যায় নি। কারণ ফতওয়া দ্বন্দ্ব থা্কতে পারে, কিন্তু এর জন্য নিশ্চয়ই কাবা ঘরে বোমা হামলা চালাবে না কোন প্রকৃত মুসলমান। অমুসলিমরাই সেখানে হামলা চালাতে গিয়েছিলো, কিন্তু অজুহাত হিসেবে নিয়ে ঐ জুম্মার নামাজের ফতওয়াকে। যেন ধরা পড়লে মুসলমানদেরই দোষ হয়।
সত্যি বলতে- মুসলমানরা বসে থাকলেও অমুসলিমরা কিন্তু বসে নেই। তারা প্রতিনিয়ত ব্যস্ত মুসলমানদের ধর্ম-কোরআন-হাদীস-ফিক্বাহ-ফতওয়া নিয়ে। তারা খুজে বেড়ায় কোথায় মুসলমানদের মধ্যে সামান্য মতপার্থক্য আছে। যেখানে মত পার্থক্য আছে, সেখান দিয়ে প্রবেশ করে, একপক্ষের বেশ নিয়ে অন্যপক্ষের ক্ষতি করে। ব্যস কাজ হয় দুইটা-
১) মুসলমানদের ১ গ্রুপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়
২) দুই গ্রুপের মধ্যে শত্রুতা শুরু হয়ে তারা নিজেরা নিজেদের মধ্যে মারামারিতে মেতে উঠে।
১) মুসলমানদের ১ গ্রুপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়
২) দুই গ্রুপের মধ্যে শত্রুতা শুরু হয়ে তারা নিজেরা নিজেদের মধ্যে মারামারিতে মেতে উঠে।
২০০১ এর থেকে ইরাক-আফগানিস্তান-সিরিয়া-পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত বোমা হামলা হয়েছে। প্রত্যেক হামলায় শত শত মুসলমান মারা গেছে। কোথায় হিন্দু মারা গেলে মুসলমানের দোষ হয়। আর মুসলমানরা মরলে উল্টো মুসলমানেরই দোষ হয়। দেখা গেছে- হামলার কিছুক্ষণ পর কোন না কোন নামধারী মুসলিম সংগঠন সেই বোমা হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে। আদৌ ঐ নামে কোন মুসলিম সংগঠন আছে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। যেহেতু বর্তমান মিডিয়া জগত পুরোপুরি অমুসলিমদের হাতে, তাই অপপ্রচার করতে তাদের ন্যূনতম বেগ পেতে হয় না। আর সাধারণ মুসলমানরা যেহেতু মিডিয়ার অন্ধভক্ত, তাই মিডিয়া যা বলে তাই নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করে নেয়।
আমি হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ-ইহুদীদের দেখেছি। এদের স্ব-জাতির মধ্যে অনেক অনেক দ্বন্দ্ব রয়েছে। এমনকি এদের দ্বন্দ্বগুলো মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্বর থেকেও বেশি। কিন্তু মুসলমানদের বিরুদ্ধ ইস্যুতে এরা এক হয়ে যায়, তাদের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব কাজ করে না। তারা দ্বন্দ্ব-পার্থক্য ভুলে একজোট হয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাজ করে। ব্যতিক্রম শুধু মুসলমানরা। এরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করতে বেশি পছন্দ করে। এমনকি অমুসলিমদের সাথে দ্বন্দ্বে এরা প্রয়োজনে অমুসলিমদের পক্ষ নেয়, তবু নিজেদের জাত ভাইয়ের পশ্চাৎ মারতে ছাড়ে না। কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারে না, অমুসলিমের পক্ষ নিয়ে নিজ ভাইয়ের পশ্চাত মেরে সে নিজের পশ্চাতদেশকেই উন্মুক্ত করে দিলো।
মুসলমানদের অবস্থা এখন কঠিন। এরা অমুসলিমদের আক্রমন ঠেকানোর ন্যূনতম যোগ্যতা রাখে না। মুসলমানদের সংখ্যা অনেক, কিন্তু সবাই বিচ্ছিন্ন। বিরোধী আক্রমণ ঠেকাতে পরষ্পরের মধ্যে যে একতা দরকার তার ছিটেফোটও নেই। বাঘের মহিষ শিকার দেখেছেন নিশ্চয়। যে মহিষ দল বিছিন্ন হয়, তাকেই আক্রমণ করে বাঘ । কিন্তু দলবদ্ধ মহিষকে পরাস্ত করতে পারে না বাঘ। মুসলমানদের বেলায় এক পলিসি, মুসলমানদের পরষ্পরের মধ্যে বিভেদ লাগাও আর গিলে খাও, এটাই সবচেয়ে সোজা। তবে অমুসলিমদের সেসব ষড়যন্ত্র বুঝতে মুসলমানদের আর কত দিন লাগবে সেটাই এখন হিসেব করার বিষয়।
---------------------------------------------------
--আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon Chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
--পেইজ কোড- 249163178818686 ।
--আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6 (https://www.facebook.com/202647270140320/
No comments