Header Ads

ad728
  • Breaking News

    ক্ষুদে ডাক্তার কার্যক্রম ও কিছু কথা...



    বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চালু আছে ‘ক্ষুদে ডাক্তার’ কার্যক্রম। বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের যৌথ উদ্যোগে ২০১১ সালে এ কার্যক্রমটি শুরু হয়। এক কার্যক্রম মূল লক্ষ্য ছিলো স্কুলে বাচ্চাদের কৃমির ওষধ খাওয়ানো। একইসাথে সরকারীভাবে আসা অন্যান্য ওষুধ খাওয়ানো। সাধারণ তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের বাছাই করে এপ্রোন পরিয়ে ডাক্তার সাজানো হয় এবং তাদের দ্বারা এসব ওষুধ খাওয়ানোর কার্যক্রম করানো হয়।(http://bit.ly/2AlSRSdhttp://bit.ly/2hJxpP8)

    পাঠক ! ভালোভাবে খেয়াল করুন-
    ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি ওষধের প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে- “শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন”। আরো লেখা থাকে- “ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন”।
    অথচ আপনি একটি শিশু বাচ্চার গায়ে সাদা এপ্রোন পরিয়ে বা ‘ক্ষুধে ডাক্তার’ সাইন লাগিয়ে হাতে ওষুধ তুলে দিচ্ছেন। বলছেন, অন্য বাচ্চাকে খাওয়াতে, এটা কেমন কথা ? এই ক্ষুধে ডাক্তার কার্যক্রম থেকে বাচ্চারা কি শিখবে ? স্কুলে এই চর্চা যেমন বিপদজনক, ঠিক তেমনি ঐ জিনিস শিখে এসে কেউ যদি বাসায় তার চর্চা করে তবে সেটা কেমন বিপদজনক হবে ?
    উল্লেখ্য, কৃমির ওষুধ সাধারণ কোন ওষুধ নয়, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যুক্ত ওষুধ। এ ওষুধ সেবনের আগে ডাক্তারের পরামর্শ হলো- কৃমির ওষুধ খেলে বমি বমি ভাব হতে পারে। এ ছাড়া পেট ও মাথাব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। খালি পেটে কৃমিনাশক ওষুধ না খাওয়া, ওষুধ খাওয়ার পর বেশিক্ষণ রোদে না থাকা, পিটি বা প্যারেড না করা। কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ার পর কোনো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া।(http://bit.ly/2znjCaH)
    কিন্তু এ ধরনের একটি ওষুধ বাচ্চাদের হাতে তুলে দিয়ে তাদের দিয়ে খাওয়ানো কতটুকু যুক্তসঙ্গত, এটা আমার মাথায় আসছে না।
    আমার ধারণা,
    সম্ভবত এসব ওষুধ ক্যাম্পেইন করতে সরকারের টাকা খরচ করতে হয়। অনুমান করে ধরে নিচ্ছি, প্রত্যেক স্কুলে ৫-৬ জন করে কর্মী পাঠাতে হয় স্বাস্থ্য অধিদফতরকে। ধরে নিলাম, ১টি স্কুলে দিন প্রতি ক্যাম্পেইন বাবদ খরচ হয় ৫ হাজার টাকা। তবে দেশের ৬১ হাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খরচ হবে ৩০ কোটি টাকা। ৭ দিন ব্যাপী কৃমি ওষুধ খাওয়ানোর কার্যক্রমে খরচ হবে ২১০ কোটি টাকা। এই ২১০ কোটি টাকা বাচাতে সরকার এখন বাচ্চাদের হাত দিয়ে ওষুধ খাওয়াচ্ছে। এ সব কার্যক্রম করলে বাচ্চারও মজা পেলো, আবার ফ্রি কাজও উদ্ধার হলো।
    ‘ক্ষুদে ডাক্তার’ কার্যক্রম দেখে আপনাদের কি মনে হয়েছে জানি না, তবে আমার কাছে মনে হচ্ছে বাংলাদেশের নীতি নির্ধারকরা সব পাগল হয়ে গেছে।













    ------------------------------------------------------------------

    --আমার ফেসবুক মূল পেইজ Noyon chatterjee 5
    (https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
    --পেইজ কোড- 249163178818686 ।

    --আমার ফেসবুক ব্যাকআপ পেইজ-  Noyon Chatterjee 6
    (https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728