ভারতের একজন সিরিয়াল খুনি....
বর্তমান সময়ে আলোচিত সবচেয়ে কুখ্যাত যে নাম, তা হলো রাবীন্দ্রর কুমার।
মাত্র ২৪ বছর বয়সী এ ভারতীয় সিরিয়াল খুনি-ধর্ষক তার অপকর্মের যে বর্ণনা প্রকাশ্যে দিয়েছে তা সত্যিই শিউরে ওঠার মত। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে রবীন্দ্রর কুমাকে গ্রেফতার করে দিল্লী পুলিশ।
রাবীন্দ্রর কুমারের বাসা ভারতের উত্তর প্রদেশে, কিন্তু সে থাকতো দিল্লীতে। পেশায় রাবীন্দ্রর একজন শ্রমিক। রাবীন্দ্রর কুমারের প্রথম খুন ও ধর্ষণে হাতেখাড়ি ১৭ বছর বয়সে। ১৭ থেকে ২৪ এ ৭ বছর বয়সে রাবীন্দ্রর কমপক্ষে ৩০টি শিশুকে (পুলিশের ধারণা ৪০টি শিশু) হত্যা ও ধর্ষণ করে। রাবীন্দ্রর ধর্ষণের জন্য সাধারণত বেছে নিতো ২ থেকে ১২ বছর বসয়ী শিশুদের, ছেলে-মেয়ে উভয় শিশুই ছিলো তার পছন্দের।
রবীন্দ্রর নিজ মুুখেই বলেছে, “আমি শিশুটিকে ধর্ষণের পূর্বে হত্যা করে নিতাম এরপর মৃতদেহ ধর্ষণ করতাম, যেন ধর্ষণের সময় শিশুটি কান্না করতে না পারে। আমি কোন শিশুকে টার্গেট করে এ পর্যন্ত বিফল হয়নি। ধর্ষণের জন্য সাধারণত ভোরবেলা এবং সন্ধ্যের সময়টাকেই বেছে নিতাম। আমি বস্তি ও নির্মাণাধীন ভবনগুলোর আশেপাশে শিশুদের আশায় ঘুরে বেড়াতাম। কোন আত্মীয়র বাসায় গেলেও ছোট ছোট বাচ্চাদের দিকে চোখ রাখতাম। সাধারণত কোন স্থানে ১০-১৫ দিন থাকলেই পছন্দসই শিশু খুজেঁ পেতাম। কিন্তু কোন নির্দ্দিষ্ট স্থানে আমি ২-৩ মাসের বেশি থাকতাম না, যেন কেউ সন্দেহ করতে না পারে। খুন ও ধর্ষণ করার পূর্বে প্রচুর পরিমাণে মদ খেয়ে নিতাম। শিশুটিকে হাত-পা দিয়ে এত শক্ত করে ধরতাম যেন সে ছুটতে না পারে। শিশুরা আমার হাতে আটকা পড়লে পাল্টা আঘাত করতে পারতো না।”
রাবীন্দ্রর নিজ মুখেই স্বীকার করেছে, অত্যধিক মাদকাসক্তি এবং পর্নআসক্তি তাকে এ ধরনের নির্মম শিশু নির্যাতন করতে উদ্বুদ্ধ করতো।
No comments