খোদ ঢাকা শহরে হিন্দুদের মন্দিরের জন্য চলছে মুসলিম উচ্ছেদ
আজকে একজন আমাকে ইনবক্সে মেসেজ করে একটি তথ্য জানালো। বললো-
“দাদা, আপনি ‘সিলেটে হিন্দুরা মুসলমানদের জমি দখল করছে’ এ বিষয়ে লিখলেন, কিন্তু খোদ রাজধানীতে যে মুসলমানদের যায়গা জমি উচ্ছেদ করে মন্দির বানানো হচ্ছে সে খবর কি রাখেন ? খবর নিয়ে দেখুন, ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির বর্ধণের নাম দিয়ে প্রায় দুই বিঘা জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে, শতাধিক মুসলিম পরিবারকে করা হচ্ছে ভিটেমাটি ছাড়া।”
“দাদা, আপনি ‘সিলেটে হিন্দুরা মুসলমানদের জমি দখল করছে’ এ বিষয়ে লিখলেন, কিন্তু খোদ রাজধানীতে যে মুসলমানদের যায়গা জমি উচ্ছেদ করে মন্দির বানানো হচ্ছে সে খবর কি রাখেন ? খবর নিয়ে দেখুন, ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির বর্ধণের নাম দিয়ে প্রায় দুই বিঘা জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে, শতাধিক মুসলিম পরিবারকে করা হচ্ছে ভিটেমাটি ছাড়া।”
আমি বিষয়টি জানার পর গুগুলে খবরটি আছে কি না তা সার্চ দিয়ে দেখলাম। দেখলাম বিষয়টি সত্য। ২০১৪ সালে এক ঘোষণার মাধ্যমে সরকারই মন্দিরের জন্য যায়গা দখল শুরু করে। ২০১৪ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর এ সম্পর্কে খবর আসে। খবরটি এরকম-
সংস্কার ও বর্ধিত করতে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জন্য জমি অধিগ্রহণে কমিটি
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির সংস্কার এবং বর্ধিত করার জন্য ৫৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন শেষে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সভাকক্ষে মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং হিন্দু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার পর ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় ঢাকেশ্বরী মন্দির সম্প্রসারণের জন্য ৫৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভূমি অধিগ্রহণের নিমিত্ত জটিলতা নিরসনের জন্য ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নীতি হলো- ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এবং এ নীতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনা করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত নীতি বাস্তবায়ন এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রক্ষা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে যা যা করা দরকার তা বর্তমান সরকার করবে এবং এ ব্যাপারে তিনি তার যা করণীয় তা করবেন। (http://www.priyo.com/2014/09/23/108684.html…)
সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নীতি হলো- ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এবং এ নীতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনা করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত নীতি বাস্তবায়ন এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রক্ষা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে যা যা করা দরকার তা বর্তমান সরকার করবে এবং এ ব্যাপারে তিনি তার যা করণীয় তা করবেন। (http://www.priyo.com/2014/09/23/108684.html…)
ইনবক্সে তথ্যদাতা আরো জানালো,
ঢাকেশ্বরী মন্দিরকে কথিত জাতীয় মন্দির ঘোষণার পর তা বর্ধিত করার জন্য এই কার্যক্রম। এতে প্রায় শতাধিক মুসলিম বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছাড়া হয়ে যাবে, যেখানে অনেক মুসলমানদের বহুতল ভবনও আছে। মুসলমানদের এ বহুমূল্যবান জমি অধিগ্রহণ করা হলে অন্যত্র জমি দেওয়া হবে এমনটা শুরুতে আশ্বাস দেয়া হলেও এখন নামমাত্র মূল্যে জমি দখলের কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। তবে দুঃখের বিষয় মুসলমানদের এ দুর্দশার খবর কোন শীর্ষ স্থানীয় মিডিয়া কভারেজ করছে না। স্থানীয়রা বিচার না পেয়ে কোর্টে মামলা করেছেন। কিন্তু তাতেও সুবিধা হচ্ছে না। খোদ জেলা প্রশাসকই সরকারি উদ্যোগে জমি দখল করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরকে কথিত জাতীয় মন্দির ঘোষণার পর তা বর্ধিত করার জন্য এই কার্যক্রম। এতে প্রায় শতাধিক মুসলিম বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছাড়া হয়ে যাবে, যেখানে অনেক মুসলমানদের বহুতল ভবনও আছে। মুসলমানদের এ বহুমূল্যবান জমি অধিগ্রহণ করা হলে অন্যত্র জমি দেওয়া হবে এমনটা শুরুতে আশ্বাস দেয়া হলেও এখন নামমাত্র মূল্যে জমি দখলের কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। তবে দুঃখের বিষয় মুসলমানদের এ দুর্দশার খবর কোন শীর্ষ স্থানীয় মিডিয়া কভারেজ করছে না। স্থানীয়রা বিচার না পেয়ে কোর্টে মামলা করেছেন। কিন্তু তাতেও সুবিধা হচ্ছে না। খোদ জেলা প্রশাসকই সরকারি উদ্যোগে জমি দখল করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।
একটি মুসলমান দেশে থেকে যদি মুসলমানদের এভাবে উচ্ছেদ হতে হয় তবে বিষয়টি সত্যিই লজ্জাজনক। ঐ এলাকার মুসলিম অধিবাসীরা সমগ্র দেশবাসীর কাছে সাহায্য কামনা করেছেন।

No comments