
কেউ ইসলামের কথা বললেই, দেখতে হুজুরের মত হলেই যে মুসলমান হয়ে যাবে, এমন কথা নেই। কেউ মুসলমান কি না সেটা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন তার কাজ ও সঙ্গীসাথীদের যাচাই বাছা্ই করা। কারণ অমুসলিমরা মুসলমানদের ধর্ম নষ্ট করতে মুসলিম বেশেই তাদের চর পাঠায়, যেন সাধারণ মুসলমানরা বিভ্রান্ত হয় এবং ফাদে পা দেয়।
আমি দু’জনের ছবি দিয়েছি। বামদিকের ছবিটা হচ্ছে কাজী মোতাহার হোসেনের, যে মুসলমানদের ধর্মীয় শাসন ছিন্ন করে বেরিয়ে আসার পক্ষপাতি ছিলো। এ মোতাহার হোসেনই বাংলাদেশ রবীন্দ্রকালচার আমদানিকারক। তার মেয়ে সনজিদা খাতুন তৈরী করেছে ছায়ানট, আমদানি করেছে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ। আর ডান দিকের ছবিটা হচ্ছে সিনেমা পরিচালক সুভাষ দত্তের। অনেকে হয়ত চেহারা দেখে মুসলমানভেবে ভুলেই করতে পারেন।
এই দুটি ছবি নিয়ে আসলাম এ কারণে যে, সাধারণ মানুষ ‘ইসলাম’ ও মুসলমানী সূরত দেখলে বিভ্রান্ত হয় তাই। যেমন হাসান মাহমুদ নাম এক কানাডা প্রবাসী বাঙালী আছে। সে Muslim Canadian Congress শরীয়া ল’ বিষয়ক ডাইরেক্টর এছাড়া World Muslim Congress এর উপদেষ্টা। আমি তাকে অনেক ইসলামী বিষয়ে ইসলামের পক্ষ হয়ে ডিবেটও করতে দেখেছি। কিন্তু তার কিছু বই পড়ে আমি অবাক হয়েছি, বইগুলো নামে ইসলামী, কিন্তু মূল কাজ হচ্ছে মুসলমানদের ধর্ম সম্পর্কে বিভ্রান্ত করা। আমি আরো ঘাটাঘাটি করে অবাক হলাম, যে ১০-১২ জন কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ‘মুক্তমনা’ ব্লগ প্রতিষ্ঠা করেছিলো, তার মধ্যে হাসান মাহমুদও একজন এবং তার লেখা ইহুদীদের জিহাদ ওয়াচে পর্যন্ত ছাপা হয়।
(http://goo.gl/bakxtI, https://goo.gl/KAmjya)
কয়েকবছর আগে ঢাকায় এক ইসলামী দল সম্মেলন করে সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। দলটির নাম ‘সম্মিলিত ইসলামিক জোট’, দলের সভাপতির নাম জিয়াউল হাসান। তবে জিয়াউল হাসান যে আসলে মুসলমানদের কেউ না সেটা বুঝতে পেরেছি, ঐ সম্মেলনের অন্যসদস্য ও আয়োজকদের নাম পড়ে। ঐ অনুষ্ঠানের আয়োজক ও অন্য সদস্যরা হচ্ছে- ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, সৈয়দ আবুল মকসুদ। (http://goo.gl/KZ1z17)
যাই হোক, লেখা বড় করবো না, তবে কাউকে ইসলামী বা মুসলিম ভাবার আগে তার অন্যান্য কাজ ও সঙ্গীসাথীদের দিকে আগে খেয়াল করবেন, তাহলেই সব বুঝতে পারবেন।
No comments