
বছর খনেক আগে, এক কুরআনে হাফেজ আমাকে মেসেজ করে বলে-
“ভাই, আমি একজন হাফেজে কোরআন। আমি প্রতি বছর মসজিদে খতম তারাবী পড়াই। আমি মাদ্রাসা বোর্ডে ফাজিল শ্রেণীর ছা্ত্র। গত তিন বছর যাবত রমজান মাস আসলেই মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষা ফেলানো হয়। রোজা রেখে, তারাবী পড়িয়ে, পরীক্ষা দেওয়া আমাদের জন্য খুবই কষ্টকর। এভাবে হাজার হাজার ছাত্রের উপর কঠিন জুলুম করা হচ্ছে।”
শুধু মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড নয় গত কয়েক বছর যাবত, রমজান মাসে সরকারের তরফ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করার দাবি করা হলেও, প্রকৃতপক্ষে সেগুলো বন্ধ হয়নি। বরং পরীক্ষা ফেলে ছাত্রদের আরো কঠিন অবস্থায় ফেলানো হচ্ছে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশের ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের অবশ্য ধর্মীয় কার্য রোজা পালন করতে পারছে না।
এ বছরও খোঁজ নিযে জানা গেছে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড ও অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে রমজান মাসে পরীক্ষা ফেলেছে। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের ধর্ম পালন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সরকার উপর দিয়ে বলছে- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ (এ বছর এখনও কোন ঘোষণা দেয়নি) , কিন্তু পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীদের নাজেহাল করা হচ্ছে।
আমার মনে হয়, এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি দেওয়া জরুরী। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশের মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের ধর্ম পালনের জন্য স্কুলে-কলেজ-ভার্সিটি-মাদ্রাসা বন্ধ তো অবশ্যই, পরীক্ষাগুলোও বাতিল করা উচিত।
No comments