Header Ads

ad728
  • Breaking News

    আবার কেন নাস্তিকদের হাতে তুলে দেয়া হলো পাঠ্যবই ?

    সরকার আবারও নাস্তিকদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিয়েছে। গত ২৮শে এপ্রিল দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় ‘মাধ্যমিক পর্যায়ে ১২টি পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আসছে’ শিরোনামে এক খবর বলা হয়-
    এসএসসি পর্যায়ের ১২টি পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আসছে। পাশাপাশি যেসব পাঠ্যবইয়ে ‘হেফাজতীকরণ’ হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তাৎক্ষণিক ব্রিফিংয়ে শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্টজনেরা এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য শিক্ষা ব্যবস্থা অপেক্ষাকৃত উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। সে লক্ষ্যে শিক্ষাবিদ ও দেশের বিশিষ্ট নাগরিকদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি এসব কাজ করবে। সকাল ১১টায় শুরু হয়ে এ বৈঠক দুই ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এতে ড. ফরাস উদ্দিন আহম্মেদ, অধ্যাপক মনজুর আহমেদ, রাশেদা কে চৌধুরী, ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক কায়কোবাদ, অধ্যাপক আখতারুজ্জামান, অধ্যাপক এমএম আকাশ, অধ্যাপক শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, অধ্যাপক তাসলিমা নাসরিন প্রমুখ অংশ নেন। এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক জাফর ইকবাল বলেন, আপনারা পাঠ্যবইয়ে হেফাজতিকরণের বিষয় জানতে চাচ্ছেন। বাংলা বিষয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে অধ্যাপক শ্যামলী নাসরিন চৌধুরীকে। উনি একজন শহীদ জায়া। তিনি বিষয়টি ভালোভাবে পর্যালোচনা করে আমাদের উদ্ধার করবেন বলে মনে করি। (http://bit.ly/2q6gCLW)

    উল্লেখ্য সম্প্রতি পাঠ্যবই কিছু পরিবর্তন করায় শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী বলেছিলো- “পাঠ্যপুস্তক দেখে মনে হয় দেশ পাকিস্তানিকরণের দিকে যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে স্লো-পয়জনিং। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আরো অনেক ‘হলি আর্টিসান’ ঠেকানো যাবে না। ” (http://bit.ly/2pN3hoQ)

    শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী দাবি করছে পাঠ্যপুস্তক নাকি পাকিস্তানী পাঠ্যপুস্তক হয়ে গেছে, অথচ বাদ গেছে- রাধাকৃষ্ণের লীলাখেলা, রামায়ন, দূর্গা দেবীর প্রশংসা, অন্নপূর্না দেবীর প্রশংসা, পাঠাবলীর নিয়ম কানুন, গোমাতাবাদ। তার কথা অনুসারে এতদিন কি পাঠ্যবইগুলো ভারতের ছিলো ?

    এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, আমরা আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে জাফর ইকবাল বা শ্যামলী নাসরিনদের কাছে বর্গা দেইনি। তারা যেভাবে বলবে, যা শেখাবে তা শিখতে আমাদের সন্তানরা বাধ্য নয়। ইতিমধ্যে জাফর ইকবাল তত্ত্ব ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে। জাফর ইকবাল আর নাহিদ মিলে আমাদের নতুন প্রজন্মের উপর পরীক্ষার পর পরীক্ষা চালিয়েছে, আমাদের সন্তানদের বানিয়েছে গিনিপিগ। স্বাধীনতার পর এত বেশি শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তন আর দেখা যায়নি। জাফর ইকবাল নকলবাজরা দুই চারটা বই লিখে বড় শিক্ষাবিদ সেজেছে, কিন্তু আমাদের নতুন প্রজন্মকে তারা কি দিয়েছে ? সৃজনবুদ্ধু শিক্ষা ব্যবস্থা, পিএসসি-জেএসসি পরীক্ষা দিয়ে আমাদের সন্তানরা আজ হতভম্ভ। পাশাপাশি প্রশ্নফাসের ব্যর্থতা তো আছেই। সব মিলিয়ে আমাদের সন্তানরা এখন ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় ২%ও পাশ করে না। কিন্তু কেন ? সবাই কেন সৃজনবুদ্ধু হয়ে গেলো ? জাফর ষ্যাড়ের বড় বড় কথা গেলো কোথায় ?

    বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ, অধিকাংশ জনগণ যা চাবে এখানে সেটাই হবে। রাশিয়াতে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর সেখানে কমিউনিস্ট নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা প্রনয়ন হয়। পার্শ্ববর্তী ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর পাঠ্যপুস্তককে আরএসএস এর দেয়া উগ্র হিন্দুত্ববাদ প্রবেশ করানো হচ্ছে। তাহলে বাংলাদেশে হতে সমস্যা কোথায় ? সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠের ইচ্ছামাফিক পাঠ্যবই প্রণয়ন করতে হবে, দুইচারটা নাস্তিক কি বললো, সেটা গোনায় ধরার কোন কারণ দেখি না।



    ---------------------------------------------------
    --আমার ফেসবুক পেইজ Noyon Chatterjee 5
    (https://www.facebook.com/noyonchatterjee5),
    --পেইজ কোড- 249163178818686 ।

    --আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6 (https://www.facebook.com/202647270140320/)

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728